সামাজিক অসহিষ্ণুতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং আইনের শাসনের অভাবের কারনে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের পথ তৈরি করে।
ঐক্যবদ্ধ থাকলে এর থেকে পরিত্রান পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন প্রগতিশীল মানুষগুলো


ভূমি জবরদখল ও অর্থনৈতিক কারণ: গবেষণায় দেখা গেছে, সহিংসতার একটি বড় কারণ হলো সম্পত্তি বা ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ। অনেক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বা নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে স্থানীয় সংখ্যালঘুদের জমি জবরদখল করে।
বিচারহীনতার সংস্কৃতি: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনাগুলোর বিচার না হওয়া বা ধীরগতিতে বিচার হওয়া একটি বড় কারণ। বিচারহীনতার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়, যা পরবর্তীতে নতুন হামলার সাহস যোগায়।
ধর্মীয় অবমাননার গুজব: প্রায়শই ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ বা গুজব ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংখ্যালঘু পরিবার, মন্দির বা ব্যবসার ওপর হামলা চালানো হয়।
রাজনৈতিক ব্যবহার: সংখ্যালঘুরা অনেক সময় রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হন। নির্বাচন বা রাজনৈতিক পালাবদলের সময় তারা সহিংসতার শিকার হন।
সামগ্রিকভাবে, সামাজিক অসহিষ্ণুতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং আইনের শাসনের অভাব বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের পথ তৈরি করে।




