ফেনীতে আলোচনার তুঙ্গে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট কমিটি।
সামাজিক যোগাযোগে একে অপরকে দোষারোপ করে চলছে বাববিতন্ডা।

বিশেষ প্রতিনিধি-
গত ৭মে ফেনী জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয় মর্মে একটি চিঠি আসে নব নির্বাচিত কমিটির নিকট। চিঠিতে কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যানের অনুমতি ক্রমে দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত দেখতে পাওয়া যায়। তবে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সম্পাদকের কোন স্বাক্ষর ছিল না। কিন্তু উক্ত কমিটি জেলা পর্যায়ে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে বিতর্কের ঝড় বইছে। সামাজিক যোগাযোগে এ নিয়ে চলছে বাকবিতন্ডা।
সাধারণত ধর্মীয় বা সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের সংগঠনগুলো রাজনৈনিক উর্ধে থাকে। কিন্তু নেতাদের মাত্রাতিরিক্ত রাজনৈতিক তেলবাজি ও দাপটের কারনে সংগঠনগুলো তাদের সুনির্দিষ্ট কাজ না করে এডেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকেন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ফেনী জেলা কমিটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সংগঠনটি কয়েকজন নেতা এমনভাবে বলছেন যে, এসংগঠন করতে পারবে তারাই যারা একনিষ্ঠ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সদস্য বা নেতৃত্বদানকারী। অন্য কোন সাধারণ সনাতনী বা অপরাপর ধর্মালম্বীরা সংগঠনের সদস্য কিংবা এ সংগঠন করতে পারবে না। এরকম বার্তা সামাজিক যোগাযোগের মধ্যে কিছু ব্যক্তি হুমকি ধমকি দিয়ে আসতেছে যা সকলে অবগত।
নাম না জানানোর শর্তে ফেনী শহরের সনাতন ধর্মের লোকজন বলছেন তাহলে এ সংগঠনটি কি শুধু মাত্র রাজনৈতিক সংগঠন? রাজনীতি না করলে এ সংগঠনের সাথে যুক্ত হতে পারবে না একেমন নীতি।
আবার আরেকজন মন্তব্য করলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের উপকারার্থে যে সকল সংগঠন আছে তাদের দ্বারা আশানুরূপ সফল হতে পারেনি সনাতনীরা, শুধুমাত্র রাজনীতির বলয় থাকার কারনে। সকল রাজনৈতিক দলের সাথে সংগঠনের সুসম্পর্ক থাকবে। কিন্তু সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের কল্যাণের বিপরীতে কোন কাজে বাধ্যবাদকতা থাকতে পারবে না।
এখানে শুধুমাত্র একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে সম্মেলন করার জন্য। যদি সংগঠন সম্পর্কে তাদের ধারণা থাকে তাহলে তারা এটি বুঝা উচিত। কারন আহবায়ক কমিটির একজন সদস্য পদ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এ কমিটিতে যারা যোগ্যতা অর্জন করবেন তারাই আগামীতে ভালে কোন পদ বহন করবেন এমন মন্তব্য করেন ফেনীর সনাতনী সম্প্রদায়ের বিশিষ্টজনেরা।
আবার সামাজিক যোগাযোগে একটি ভিডিওতে দেখা গেল কমিটির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব এ কমিটির অনুমোদন নিয়ে বা কিভাবে হলো তারা জানেন না। তাহলে জানে কে। তালিকা তাহলে তারা করে নাই? এমন দায়িত্বহীনতা কেন?। সংগঠন করা অনেক কঠিন কাজ। আর যদি সমন্বয়হীনতা থাকে তাহলে তো আরো কঠিন হয়ে পড়বে সংগঠন পরিচালনা করা এমন মন্তব্য এমন অনেকের মাঝে। তারা মনে করেন এর একটি সুষ্ঠ সমাধান করা প্রয়োজন। তা না হলে কমিটি তালিকার মধ্যে থেকে যাবে। কোন দিন আলোর মুখ দেখবে না।
সংগঠনের কমিটি গঠন বা পুনর্গঠন নিয়ে বাকবিতণ্ডা বা মতবিরোধ না করে একটি সাধারণ বিষয়, যা সুশৃঙ্খল উপায়ে সমাধান না করলে সংগঠনের কার্যক্রম ও ঐক্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।




